---Advertisement---

বন্যপ্রাণী হত্যা বন্ধে প্রচারে নামল বর্ধমান বনবিভাগ ও পশুপ্রেমী সংগঠন

Souris Dey

Published

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: বন্য প্রাণী হত্যা নয়, সংরক্ষণ – এই সচেতনতার বার্তা কে সামনে রেখে জেলাজুড়ে প্রচারে নামল বনবিভাগের বর্ধমান রেঞ্জ। এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মতো পশুপ্রেমী সংগঠন। রবিবার বনদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। বর্ধমানের দামোদর তীরবর্তী হাটশিমুল এলাকা থেকে পাল্লারোড পর্যন্ত এলাকায় মানুষের কাছে বন্যপ্রাণী শিকারের ক্ষতিকারক দিকগুলো ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতা বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন বনদপ্তরের আধিকারিকরা।

বিজ্ঞাপন

পূর্ব বর্ধমান জেলা বন বিভাগের মুখ্য আধিকারিক নিশা গোস্বামী জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুসারে বন্য প্রাণী হত্যার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু ও শাস্তির পাশপাশি আর্থিক জরিমানার নির্দেশ রয়েছে। জেলার বিভিন্ন জায়গায় যেখানে এই ধরনের প্রবণতা বেশি দেখা যায় সেই এলাকাগুলি চিহ্নিত করে রেঞ্জ অফিসাররা সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করছেন। এদিন বর্ধমান রেঞ্জের পক্ষ থেকে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। 

নিশা গোস্বামী জানিয়েছেন, প্রায়ই বন্য প্রাণী হত্যা বা আটকে রাখা কিংবা পাখি শিকারের অভিযোগ আসে বন দপ্তরের। অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধীরা ধরা পড়ে। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয় না। তাই মানুষকে সচেতন করা আগে প্রয়োজন। যেসমস্ত এলাকায় এই ধরনের অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে বন বিভাগ ও পশু প্রেমী সংগঠন যৌথভাবে সেখানকার মানুষকে আরো বেশি সচেতন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগামীদিনে জেলার অন্যান্য জায়গাতেও এই ধরনের সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হবে।
পশু প্রেমী সংগঠনের সদস্য অর্ণব দাস জানিয়েছেন, বেশ কয়েক বছর ধরে পূর্ব বর্ধমানের একাধিক আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলির এবং দামোদর নদের নিকটবর্তী এলাকায় বন্যপ্রাণী শিকারের প্রবণতা বাড়তে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে সিবেট ক্যাট বা বনবিড়াল, শেয়াল ও বিভিন্ন ধরনের পাখি শিকার বেড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে পরিযায়ী পাখিও আছে। অর্ণব জানিয়েছেন, মূলত খাদ্য হিসেবে এই প্রাণী গুলি শিকার করেন এলাকার কিছু মানুষ। স্থানীয় মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমেই একমাত্র এই প্রাণীগুলি রক্ষা করা সম্ভব। তাই বনদপ্তরের উদ্যোগে একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই ধরনের শিবির এই সমস্ত এলাকার মানুষকে আরো বেশি পরিবেশ ও প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে বেচেঁ থাকা প্রাণীদের প্রতি সচেতন করে তুলবে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন অর্ণব দাস।
See also  এভারেস্ট, লোৎসের পর বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট মাকালু (৮৪৮১ মিটার) জয় বাংলার পিয়ালীর
শেয়ার করুন 🤝🏻

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---