১০০দিনের কাজে জেলায় প্রথম স্থানে খণ্ডঘোষ ব্লক

Souris  Dey

Souris Dey

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: ১০০ দিনের কাজে কর্মদিবস সৃষ্টির নিরিখে জেলার মধ্যে প্রথম স্থানে চলে এল খণ্ডঘোষ ব্লক। এই প্রকল্পের আওতায় ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতে বৃক্ষ রোপন, পুকুর খনন, ড্রেন সংস্কার ও রাস্তা তৈরির কাজে রেকর্ড কর্মদিবস সৃষ্টি হয়েছে। এই ব্লকে বরাদ্দ অর্থের অনুমোদিত সব কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে মোট ১২ লক্ষ ৭১ হাজার ৫২৫ টি কর্মদিবস সৃষ্টি হয়েছে। জেলার অন্যান্য ব্লকের নিরিখে খণ্ডঘোষ ব্লকের সংখ্যা অনেকটাই বেশি।

বিজ্ঞাপন

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী ব্লক ভিত্তিক কাজের (বরাদ্দ অর্থ খরচের) নিরিখে খণ্ডঘোষ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মোট অর্থের ৬৫.৬০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে মন্তেশ্বর ব্লক। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আউসগ্রাম ১ ব্লক। এছাড়া জেলার পঞ্চায়েত সমিতির নিরিখে খণ্ডঘোষ ব্লক ৭১.৯৪ শতাংশ কাজ করে প্রথম স্থানে রয়েছে। চলতি বছরে ফ্রেব্রুয়ারি মাসে পাওয়া অর্থ ও খরচের হিসাব অনুযায়ী জেলায় প্রথম স্থানে রয়েছে খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতি। দ্বিতীয় স্থানে আউসগ্রাম ২ ও তৃতীয় স্থানে জামালপুর ব্লক রয়েছে।

খণ্ডঘোষের বিডিও সত্যজিৎ কুমার বলেন, সকলের সহযোগিতায় জেলার মধ্যে এই ব্লক এগিয়ে রয়েছে। কর্মদিবস সৃষ্টি ও বরাদ্দ অর্থ খরচের নিরিখেও খণ্ডঘোষ ব্লক প্রথমস্থানে রয়েছে। খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ বলেন, ১০০ দিনের কাজে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ব্লক এখন এগিয়ে আছে। সরকারের সব ধরনের প্রকল্পগুলির সুধিধা পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১০০ দিনের কাজের নিরিখে এই এলাকার প্রচুর পরিবার উপকৃত হচ্ছেন।

জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা জানান, ১০০ দিনের কাজে পূর্ব বর্ধমান জেলা বরাবরই সেরা স্থানে থাকে। এবছরেও ১০০ দিনের কাজে নিরিখে জেলায় অনেক ভালো কাজ হয়েছে। কোভিডের কারণে কিছুটা সময় দেরী হলেও কাজের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ক্ষেত্রে অনেকখানি এগিয়ে রয়েছে এই জেলা। এই প্রকল্পে প্রতিটি মানুষের কাজ সুনিশ্চিত করা ও এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ স্তরের মানুষের নাম নথিভূক্ত করার কাজ জেলা প্রশাসন দ্রুততার সঙ্গে করে থাকে। করোনা পরবর্তী সময়ে এই কাজের কর্মদিবস সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।

আরো পড়ুন